1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন

আইসিসি’র নজরদারিতে তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার

Reporter Name
  • শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৯৫ বার পড়া হয়েছে

সেরা কন্ঠ রিপোর্ট ।। আবুধাবিতে এবারের টি-টেন লীগের খেলা শুরুর আগেই ফিক্সিং ইস্যুতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমিরাতের ক্রিকেটার সানডে সিংকে জৈব সুরক্ষা বলয় থেকে বের করে দেন আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের (এসিইউ) কর্মকর্তারা। আর লীগের খেলা শেষে জানা গেল, পাঁচজন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে নতুন করে তদন্ত করছে এসিইউ। যেখানে তিনজন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামও শোনা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে পুনে ডেভিলসে খেলা মনির হোসেনের সাথে টুর্নামেন্ট চলাকালেই কথা বলেছেন এসিইউ কর্মকর্তারা। মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সে খেলা সোহাগ গাজী ও মুক্তার আলীর ওপরও এসিইউ নজর রেখেছে বলে দুবাই থেকে জানান টি-টেন লীগের এক কর্মকর্তা। তবে সোহাগ গাজীর দাবি, এসিইউর কোনো কর্মকর্তার সাথে তার কথা হয়নি। আর ফোন বন্ধ থাকায় মুক্তারের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি।

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লীগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। নাসির হোসেনের নেতৃত্বে খেলা মনিরকে এসিইউ জিজ্ঞাসাবাদ করে হোটেলে।

বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন এসিইউ কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’ তবে টি-টেন লীগে খেলা জাতীয় দলের সাবেক এক ক্রিকেটার জানান, ‘মনিরকে একটি ডেলিভারি নিয়ে প্রশ্ন করেছিল। এ ছাড়া তার মোবাইলও পরীক্ষা করা হয়েছিল। জানতে চাওয়া হয়েছে তার এজেন্টের নামও।’

আবুধাবির এই ক্রিকেট লীগে মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সে খেলেছেন মুক্তার আলী, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও সোহাগ গাজী। তাদের মধ্যে সোহাগ গাজী প্লেয়ার্স ড্রাফটে ছিলেন না। এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে তারা সরাসরি দলভুক্ত করে জাতীয় দলের সাবেক এ স্পিনারকে। লীগে সপ্তম হওয়া মারাঠা অ্যারাবিয়ান্সের বোলিং নিয়ে সন্দেহ করা হচ্ছে বলে জানান টি-টেনের ওই কর্মকর্তা। সোহাগ গাজী বলেন, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন এসিইউ কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। এসিইউ কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। এসিইউ প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

এদিকে, আইসিসির তদন্ত সম্পর্কে জানা নেই বিসিবি কর্মকর্তাদের। বিসিবি এসিইউ প্রধান মঞ্জুর মোর্শেদ জানান, আইসিসি থেকে এ ধরনের কোনো তথ্য জানানো হয়নি তাদের। তবে টি-টেন সংশ্নিষ্ট বাংলাদেশের একজন সংগঠক বলেছেন, ‘বিষয়টি আইসিসি তদন্ত করছে। টি-টেনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতাও পাচ্ছেন সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা। শেষ পর্যন্ত কী হবে জানি না। খারাপ লেগেছে বাংলাদেশের দু’জন ক্রিকেটার সোহাগ গাজী ও মুক্তার আলীকে সন্দেহের তালিকায় রাখায়। ওরা তো জাতীয় দলে খেলেছে। প্রার্থনা করি, তারা যেন নির্দোষ প্রমাণিত হয়। আইসিসি এসিইউ এক বছর ধরে তদন্ত করে। কেবল সন্দেহের বশে কাউকে তালিকাভুক্ত করে না। কেউ অনিচ্ছাকৃত ভুল করলেও তদন্ত শেষে সতর্ক করে দেয়। আমরা যতটা জেনেছি, আইসিসি ২০২২ সালে একাধিক ক্রিকেটারকে নিষেধাজ্ঞা দেবে।’

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD