1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

শাল্লার  হাওরে নৌকার ভেতরে তরুনীকে হেনস্থা মাঝি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার
  • বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জের শাল্লায় এক তরুণীকে যৌন হেনস্থার ভিযোগে হেলিম মিয়া (১৯) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে শাল্লা থানার পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে এই যুবককে গ্রেফতার করা হয়৷ গ্রেফতারকৃত যুবক উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের কান্দিগাঁও গ্রামের রাজধর মিয়ার ছেলে।

 

মামলার অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,  ভুক্তভোগী তরুনী ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের শাল্লায় আত্মীয়র বাসায় আসার উদ্দেশ্যে কান্দিগাঁও নৌকা ঘাটে আসে। বৃষ্টির জন্য একটা টং দোকানে কিছুক্ষন অপেক্ষা করে সিরিয়ালের নৌকা না থাকায় হেলিম মিয়ার নৌকা রিজার্ভ করে শাল্লায় আসার উদ্দেশ্যে। এর মধ্যে আরেকজন লোক শাল্লা আসবেন বলে মাঝিকে (হেলিম) বলে। মাঝি তাকে অন্য নৌকায় যাওয়ার কথা বলে এবং যাত্রীর (পিন্টু) অনুরোধে মাঝি ১শ টাকা ভাড়া দাবি করে। ঐ যাত্রী ৫০ টাকা বললে তখন মাঝি শর্ত সাপেক্ষ নৌকা চালানোর কথা বলে যাত্রীকে নৌকায় উঠায়। কান্দিগাঁও হতে একটু দূরে কান্দখলার হাওরের মধ্যে আসার পরই নৌকার ভিতরে বসা অবস্থায় ওই তরুনীকে নৌকার মাঝি হেলিম মিয়া জোরপুর্বক বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় একাধিকবার স্পর্শ করেন। পরে ওই তরুনীর চিৎকার শুনে নৌকার পেছনে বসে থাকা আরেক যাত্রী পিন্টু দাস এসে হেলিম মিয়ার কাছ থেকে এই তরুনীকে উদ্ধার করেন।

 

ভুক্তভোগী তরুনী জানান, আমি শাল্লায় বেড়াতে এসেছি। যোগাযোগের অন্য মাধ্যম না থাকায় শাল্লায় যাওয়ার জন্য একটি নৌকা রিজার্ভ করি। হাওরের মধ্যে এনে নৌকার ভেতরে আমাকে একা পেয়ে নৌকার মাঝি জোরপুর্বক আমার স্পর্শকাতর জায়গায় টাচ করে। পরে আমি চিৎকার শুরু করলে নৌকায় থাকা আরেক যাত্রী পিন্টু দাস এসে মাঝি হেলিমকে ধমক দেয় পিছনে যেতে বলে। এরপর আমি আমার আত্মীয়কে ফোনে ঘটনা বলার পর মাঝি মেশিন বন্ধ করে দেয় এবং অস্বীকৃতি জানায় শাল্লায় না আসতে। পরে নৌকায় থাকা যাত্রী পিন্টু দাসের অবুরোধে শাল্লা গুদাম ঘাটে আমাকে নিয়ে আসে। এসময় আমার আত্মীয় ও স্থানীয় কিছু লোক আমাকে উদ্ধার করে।

 

তবে নৌকায় থাকা ঐ যাত্রী পিন্টু দাসের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

 

এবিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকিবুজ্জামান বলেন, লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রজু করা হয়েছে। যার মামলা নং-০৬। আমরা অভিযুক্ত হেলিমকে গ্রেপ্তার করে সুনামগঞ্জ কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD