1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন

হারের পর হাউমাউ করে কাঁদলেন নেইমার

দৈনিক সেরাকণ্ঠ ডেস্কঃ
  • শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১১৭ বার পড়া হয়েছে

পেনাল্টি স্পট থেকে তার শটটা পোস্টে লাগার পরেই হতাশায় মাটিতে বসে পড়লেন মার্কুইনোস। মুখ লুকোলেন ঘাসে। ক্রোয়েশিয়ার গোলকিপার ডমিনিক লিভাকোভিচ তখন মাঠের একটি প্রান্তের দিকে দৌড়চ্ছেন। তার পিছনে পিছনে ক্রোয়েশিয়ার বাকি ফুটবলাররা। সে দিকে অবশ্য কারোর নজর ছিল না। চোখ তখন হলুদ জার্সিধারীদের দিকে। সেন্টার লাইনে সারি দাঁড়িয়ে থাকা মুখগুলো দেখলে করুণা হওয়াটাই স্বাভাবিক। বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিয়ে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন নেইমার, রিচার্লিসন, রদ্রিগোরা।

সেন্টার লাইনে তখন সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে রদ্রিগো, পেদ্রো, নেমার, আলেক্স সান্দ্রো, অ্যান্টনি, থিয়াগো সিলভা, ফ্রেডরা। এক একজনের অনুভূতি এক এক রকম। তবে প্রত্যেকের মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছিল যে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় কারোর বিশ্বাসই হচ্ছে না।

একা একা বসেছিলেন নেইমার। কিছুক্ষণ পরেই ভেঙে পড়লেন কান্নায়। সামলানোই যাচ্ছিল না ব্রাজিলের এই মুহূর্তে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফুটবলারকে। ছুটে এসে জড়িয়ে ধরলেন দানি আলভেস। শুক্রবারের কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচে খেলেননি। ৩৯ বছর বয়স তার। এটাই ছিল শেষ বিশ্বকাপ। বড় ভাই হিসেবে ছোটজনকে যেভাবে সান্ত্বনা দেয়ার দরকার, সেটাই করলেন। কাঁধে টেনে নিলেন নেইমারের মাথা। বুকে-পিঠে হাত বুলিয়ে নানাভাবে চেষ্টা করলেন নেইমারকে শান্ত করার। কিন্তু বৃথাই ওই প্রচেষ্টা। ৩১ বছরের নেইমারের কাছেও তো সময় কমে আসছে। কে বলতে পারে এটা তারও শেষ বিশ্বকাপ নয়। কাপ নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন মরিয়া হয়েই। আরো একবার ঠোক্কর খেতে হলো শেষ আটে এসে।

মাঠের আর এক প্রান্তে দেখা গেল রদ্রিগোকে। হাউ হাউ করে কাঁদছেন। টাইব্রেকারে তার মারা প্রথম শটটাই আটকে গেছে। তাতে আত্মবিশ্বাস আরো তলানিতে চলে যায় ব্রাজিলের। সতীর্থদের সাথে আনন্দ উৎসব করার ফাঁকে ছুটে এলেন লুকা মদ্রিচ। দু’জনে একসাথে খেলেন স্পেনের ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদে। রদ্রিগোকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিলেন শেষ বিশ্বকাপ খেলা মদ্রিচও। থামানো যাচ্ছিল না অ্যান্টনি এবং রাফিনহাকেও।

ফুটবলারদের মতো গ্যালারিতেও একই দৃশ্য। বহু যুগলকে দেখা গেল হাউহাউ করে কাঁদতে। প্রেমিকের বুকে মাথা রেখে অঝোরে কেঁদে চলেছেন প্রেমিকা। পিঠে চাপড় দিয়ে সান্ত্বনা দেয়ার বৃথা চেষ্টা করলেন প্রেমিক। গালে সবুজ-নীল রং মেখে বিশ্বকাপের রেপ্লিকা নিয়ে ব্রাজিলের প্রতি ম্যাচেই গ্যালারিতে দেখা গেছে এক সমর্থককে। নকল বিশ্বকাপ থেকে গেল হাতেই। আসল বিশ্বকাপ তার দেশের আর তোলা হল না। সমর্থকের হাতে ধরা সেই নকল বিশ্বকাপ ভিজে গেল চোখের পানিতে।

খেলা যখন শেষ হয়েছে, রিও দি জেনিরো, সাও পাওলোয় তখন দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছিল। বিভিন্ন জায়গায় জড়ো হয়ে খেলা দেখছিলেন মানুষ। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর সেখানেও একই ছবি। কেউ পতাকা জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন, কেউ বন্ধুর কোলে মাথা রেখে।

আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা যে সত্যিই সহজ কাজ নয়।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD