1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন

ঘুরে দাঁড়াল দেশের রফতানি আয়

Reporter Name
  • মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ৬৯ বার পড়া হয়েছে

সেরা কন্ঠ ডেস্ক : রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সর্বশেষ অর্থবছরের রফতানি আয়ে মহামারীর সঙ্কটের মধ্যেও বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর তথ্য পাওয়া গেছে। এক বিলিয়নের মাইলফলক অতিক্রম করা খাতগুলোর মধ্যে হোম টেক্সটাইলের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি।

মহামারীর মধ্যেও সদ্য সমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরের রফতানি আয়ে প্রবৃদ্ধিসহ কয়েকটি ইতিবাচক সূচকের দেখা মিলেছে। যদিও সামগ্রিক রফতানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এখনো সাড়ে পাঁচ ভাগ পিছিয়ে। বাংলাদেশ গত ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে মোট তিন হাজার ৮৭৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলারের (৩৮ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন) পণ্য রফতানি করেছে। আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১০ ভাগ বেশি।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চার হাজার ১০০ কোটি ডলার রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হলেও সার্বিক চিত্র দেখে অনেকটা আশান্বিত হওয়ার কথা জানান শিল্প মালিক ও রফতানিকারকরা।

বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের এপ্রিলে যখন মহামারী হানা দেয় তখন আমরা কারখানা লম্বা সময় বন্ধ রেখেছিলাম। তবে এবার আরো খারাপ পরিস্থিতির মধ্যেও মালিক-শ্রমিকেরা সাহস করে উৎপাদন প্রক্রিয়া চালু রেখেছেন। সরকারও এ বিষয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। এমন পরিস্থিতিতে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি মহামারীতে ঘুরে দাঁড়ানোর সূচক।

তিনি বলেন, পোশাক খাত গত কয়েক মাসে অনেকটা ‘কাভার’ করেছে গত বছরের চেয়ে সাড়ে ১২ ভাগ প্রবৃদ্ধি রয়েছে। তবে মহামারী শুরুর আগের পরিস্থিতির সাথে তুলনা করলে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে এখনো ৭ দশমিক ৮৪ ভাগ পিছিয়ে আছি।

নিট পোশাক ইতোমধ্যে প্রি-কভিড অবস্থায় ফিরেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের তুলনায় দশমিক ৪৪ ভাগ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ওভেনে এখনো ১৬ ভাগের মতো পিছিয়ে আছি। আমরা অর্ডার পাচ্ছি, ইউরোপ-আমেরিকাতে সব মার্কেট খুলে গেছে।

ইপিবির সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মোট রফতানি আয়ের ৮১ ভাগই এসেছে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এছাড়া পাট ও পাটপণ্য, চামড়া ও চামড়াপণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্লাস্টিক পণ্য, কৃষিপণ্য রফতানিতে আয় ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে।

গত ২০২০-২১ অর্থবছরে তিনি হাজার ১৪৫ কোটি ৬৭ লাখ ডলারের পোশাক পণ্য রফতানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ৫৫ ভাগ বেশি। গত অর্থবছরে ১১৬ কোটি ১৯ লাখ ডলারের পাট ও পাটজাত পণ্য রফতানি হয়েছে। এর আগের অর্থ বছরের চেয়ে যা ৩১ দশমিক ৬৩ ভাগ বেশি।

এ ছাড়া ১১৩ কোটি ২০ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল রপ্তানির পর এই খাতে ৪৯ দশমিক ১৭ ভাগ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এক বিলিয়নের মাইলফলক অতিক্রম করা খাতগুলোর মধ্যে হোম টেক্সটাইলের প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি।

বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান সার্বিক রফতানি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেন, লেদার আগের চেয়ে ভালো করেছে। পাট, কৃষিপণ্য ও হোম টেক্সটাইল এক বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ক্রস করেছে। ভবিষ্যতে ফার্মাসিউটিক্যাল খাতও অনেক ভালো করবে বলে আশা করেন তিনি।

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD