সেরা কন্ঠ ডেস্ক : বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
তিনি বলেন, এ বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে খুব শিগগিরই যুক্ত হবে অত্যাধুনিক অফশোর প্যাট্রল ভেসেল (ওপিভি), হোভারক্রাফ্ট ও অন্যান্য উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন জলযান।
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্টগার্ডের সদরদফতরে এ বাহিনীর ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা জানান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন এবং আমন্ত্রিত সামরিক ও অসামরিক অতিথিবৃন্দ উপস্থিত।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, নাবিক, অসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বীরত্বপূর্ণ ও সাহসী কার্যক্রমের জন্য পদক বিতরণ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উন্নত প্রযুক্তির জলযান দিয়ে এ বাহিনী অর্পিত দ্বায়িত্ব পালন করে দেশ ও জাতির কল্যাণ সাধনে তাদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত কোস্টগার্ডের বিভিন্ন বেইজ, স্টেশান ও আউটপোস্টে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে এ বাহিনীর পরিপূর্ণ বিকাশ সুনিশ্চিত করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, কোস্টগার্ড দুই যুগেরও অধিক সময় ধরে সমুদ্র বাণিজ্য ও উপকূলীয় জনগণের নিরাপত্তা বিধানে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই এ বাহিনীকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সরকার বদ্ধপরিকর।
কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল এম আশরাফুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর পৃষ্ঠপোষকতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের যুগপোযোগি দিক নির্দেশনার ফলে এ বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। সেই সাথে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সদস্যগণ দেশ প্রেমের চেতনা সমুন্নত রেখে তাদের অটুট মনোবল, নিরলস কর্মস্পৃহা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সরকার ঘোষিত রূপকল্প ২০৩০ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূর প্রসারী ভাবনার ফলেই আমাদের নিজস্ব সমুদ্র এলাকা দাবি সম্বলিত দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটার অ্যান্ড মেরিটাইম জোন্স অ্যাক্ট এবং পরবর্তীতে তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোস্টগার্ড প্রতিষ্ঠার সোপান রচনা করেন।’
এম আশরাফুল হক বলেন, ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় জাতীয় সংসদে ‘বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বিল’ উত্থাপন করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে এ বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়। শুরুতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী থেকে দুটি জাহাজ ও দুটি বোট এবং প্রেষণে আগত ২২০ জন নৌ সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার পথ চলা শুরু করে। পরবর্তীতে কালের পরিক্রমায় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় এ বাহিনীতে নতুন নতুন প্লাটফর্ম ও অবকাঠামো সংযোজিত হয়েছে।
সূত্র : বাসস
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply