১৭ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ হবিগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে শাইখুল হিন্দ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। হবিগঞ্জ জেলা জমিয়তের সভাপতি, আল্লামা হবিগঞ্জী রহ. এর সুযোগ্য সন্তান, হাফিজ মাওলানা মাসরুরুল হকের সভাপতিত্বে ও জেলা জমিয়ত সাধারণ সম্পাদক মুফতী সিদ্দিকুর রহমান চৌধুরী, জেলা যুব জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শেখ বশীর আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শেখ জয়নাল আবেদীন ও জেলা ছাত্র জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক মোহা. ইমরান আহমদ উসমানীর যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে জমিয়তের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় জমিয়তের সিনিয়র সহ-সভাপতি, শাইখুল হাদিস আল্লামা উবায়দুল্লাহ ফারুক ক্বাসেমী, জমিয়তের কেন্দ্রীয় মহাসচিব, কারা-নির্যাতিত মজলুম জননেতা, শাইখুল হাদিস আল্লামা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দি, কেন্দ্রীয় জমিয়তের অন্যতম সহ-সভাপতি,বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুর রব ইউসুফী, কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, মাওলানা বাহা উদ্দীন জাকারিয়া, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজিজ, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ফজলুল করিম ক্বাসেমী, কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতী নাসির উদ্দীন খান, যুব জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি শাইখুল হাদিস মাওলানা তাফহিমুল হক, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতী এখলাছুর রহমান রিয়াদ, ঢাকা মহানগরী কাফরুল থানা জমিয়ত সভাপতি মাওলানা আব্দুল আজিজ মাদানী, শাইখুল হাদিস মাওলানা মুখলিছুর রহমান, শাইখুল হাদিস মাওলানা রুহুল আমীন, শাইখুল হাদিস মাওলানা আব্দুল খালিক চলিতাতলী, মাওলানা এমদাদুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল মজিদ পীর সাহেব কালিশিরী, মাওলানা আব্দুল জলিল ইউসুফী, মাওলানা মাহবুবুর রহমান চৌধুরী হেলাল, মাওলানা রফিকুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুল করিম আজহার, মাওলানা মামনুনুল হক, মাওলানা শিব্বির আহমদ, মুফতী আমীর আহমদ, মাওলানা ওয়াজেদ আলী, মাওলানা আসাদ আহমদ জাফরী, মাওলানা মনিরুজ্জামান, মাওলানা সালমান আহমদ, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান, শাইখুল হাদিস মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা মুহাম্মদ আলী, মাওলানা শাহ সালেহ আহমদ, মাওলানা আখতারুজ্জামান তালুকদার, মোহা. আশিকুর রহমান, মোহা. চৌধুরী মাহমুদ প্রমুখ। এছাড়াও হবিগঞ্জ জেলা জমিয়ত, যুব ও ছাত্র জমিয়তের বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বলেন, জমিয়তের প্রতিষ্ঠাতা শাইখুল হিন্দ মাহমুদুল হাসান দেওবন্দি রহ. শুধু উপমহাদেশের নেতা ছিলেন না। তিনি বিশ্বনেতা ছিলেন। দারুল উলুম দেওবন্দ ও জমিয়তের চেতনা এক। শাইখুল হিন্দের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে জমিয়তের নেতৃবৃন্দ শুধু বাংলাদেশে নয় বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে রাজনীতি করে যাচ্ছেন। আজকে ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকায় জমিয়তের জয়গান চলছে। বক্তারা বলেন, ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত জমিয়তের দীর্ঘ শতবর্ষের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে উপমহাদেশের ভারত, পাকিস্থান ও বাংলাদেশের ইসলাম ও দেশ-জাতির জন্য সংগ্রাম করে যাচ্ছে। ইতিহাস তার রাজস্বাক্ষী। ১৯৪৭ সালে দেশভাগ, বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসের প্রতিটি পাতায় পাতায় জমিয়তের সোনালী অবদান বিশ্ব স্বীকৃত। বক্তারা বলেন, ৭১ থেকে ২৪ সালের স্বৈরাচার বিরোধি আন্দোলনে জমিয়ত সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। তাই বাংলাদেশের আগামী রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিটি সেক্টরে জমিয়তের অবদানকে মূল্যায়ন করতে হবে। বক্তারা জুলাই আন্দোলনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ও হতাহতের ত্যাগের তথা স্মরন করে বর্তমান অন্তবর্তী সরকারকে হুশিয়ার করে বলেন, আপনারা এক সাগর রক্তের উপর বিনিময়ে সরকারে এসেছেন, তাই বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনে কাল বিলম্ব না করে পথিত ফ্যাস্টিট স্বৈরাচার সরকারের আমলে হেফাজত ট্রাজেডি সহ সকল অন্যায় অবিচার,জুলুম-নির্যাতনের কার্যকরী বিচার শুরু করুন। এবং অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শেষ করে লেভেল প্লেইয়িং ফিল্ড করে নিরপেক্ষ ইলেকশন কমিশনের মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচন দিন। বক্তারা স্বৈরাচার সরকারের পতনের পরও দ্রব্যমূল্যের দাম এখনো কমেনি কেনো? তা অন্তর্বতী সরকারের কাছে জানতে চান। পরে দেশ-জাতির কল্যান কামনা করে মুনাজাতের মাধ্যমে কনফারেন্স সমাপ্ত ঘোষনা করা হয়।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply