সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পায়েল মিয়া নামে এক যুবক নিহত এবং নারীসহ আরও দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৭ মে) দুপুরে ইছাকপুর গ্রামে সাইদুর রহমান গ্রুপ ও শফিউল মেম্বার গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরও একই বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল।
নিহত পায়েল মিয়া ইছাকপুর গ্রামের আনোয়ার মিয়ার ছেলে। সংঘর্ষের সময় একই গ্রামের সালেক মিয়ার স্ত্রী তাহেরা বেগম (৩২) এবং এরশাদুল্লাহর ছেলে আলকাস মিয়া (৫০) গুরুতর আহত হন।
আহতদের প্রথমে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থার অবনতি দেখে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ প্রেরণ করেন।
এ বিষয়ে সাইদুর রহমান মোবাইল ফোনে জানান,
“আমরা পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই প্রতিপক্ষ আমাদের ওপর হামলা চালায়। তারা পায়েলকে হত্যা করেছে এবং তাহেরা ও আলকাসকে গুরুতর আহত করেছে। তাহেরার অবস্থা আশঙ্কাজনক।”
অন্যদিকে শফিউল মেম্বার পক্ষের আওয়াল নুর অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,
“কোনো মারামারি হয়নি। তারা নিজেরাই ঘটনা ঘটিয়ে আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।”
ঘটনার বিষয়ে শাল্লা থানা র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রোকিবুজ্জামান বলেন,
“খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। পায়েল মিয়া নামে একজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আহত আরেকজনকে আজমিরীগঞ্জ থেকে সিলেটে পাঠানো হয়েছে।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply