1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

কখন শেষ হবে আলেমদের বিতর্কের অবসান

Reporter Name
  • শনিবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৩
  • ২৩৫ বার পড়া হয়েছে

রেজাউল হাসান

ইসলামের মৌলিক বিষয় নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতবিরোধ না থাকলেও কিছু গুরুত্বহীন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা যায়। সোস্যাল মিডিয়া বা ওয়াজ মাহফিলের অনুষ্ঠানে চোখ বুলাইলেই দেখতে পাই, কোনো কোনো আলেমরা তাদের ওয়াজে গালিগালাজ কিংবা গীবত করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। অমুক কাফের, তমুক মুশরেকের ফতোয়া দিতেও দ্বিধাবোধ করছেন না একে অপরকে। গালিগালাজ কিংবা গীবত বিষয়ে কোরআন ও হাদিসের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ কি তারা কম জানেন?

যেখানে জুলুম, নির্যাতন, সন্ত্রাস, খুন, সুদ,ঘুষ,গীবত, সামাজিক কু-সংস্কার, মাদকসহ অনেক বিষয় বিদ্যমান। যেগুলোর সমাধান হওয়া নিয়ে আলোচনা হওয়া ছিল মূখ্য বিষয়,সেখানে তারা গালিগালাজ, গীবত ও একে অপরের সম্মানহানির চেষ্টায় লিপ্ত। মুসলিম উম্মাদের পথ নিদর্শনের বদলে বেচে নিয়েছেন পারস্পারিক হিংসা, বিদ্বেষ, ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে অর্থ উপার্জনের পথ। যেখানে আলেমদের উচিত ইসলামের প্রকৃত আদর্শ, সৌন্দর্য তুলে ধরার সেখানে তাহা না করে এক দল আরেক দলকে বিদআতি, জিলাপি পার্টি, ভ্রান্ত আকিদার উত্তরসূরী, হিসেবে বিভক্ত করা হচ্ছে।

বর্তমানে আলেম সমাজের অবস্হা এতই করুন যে,শুধুমাত্র দুনিয়াবী স্বার্থর জন্য গড়ে ওঠে অসংখ্য দল ও উপদল। যার ফলশ্রুতিতে বড় বড় আলেমরা আজ জেলের বন্দিশালায়। ফলে তাদের অনৈক্য, দলাদলি, গ্রুুপিং ইসলাম বিদ্বেষীদের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে দেয় ইসলাম ধর্মকে বিতর্কিত করার।

কোরআনুল কারিমের, সুরা আনফাল এর ৪৬ নং আয়াতে বলা হয়েছে,
আল্লাহ ও রাসুলের আনুগত্য স্বীকার কর। পরস্পর বিবাদ করো না। তাহলে তোমরা দূর্বল হয়ে পড়বে। এবং তোমাদের প্রভাব বিলুপ্ত হবে। আর ধৈর্যধারন কর। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্য্যশীলদের সাথে আছেন।

আমরা তো একই আল্লাহর একত্ববাদ ঘোষণা করি, একই নবীর উম্মত তাহলে এত হিংসা কেন, সব দলের বড় বড় আলেমরা একত্রিত হয়ে কি এই সমস্যা সমাধান করার উদ্যোগ গ্রহন করা যায় না,তখন তো সবকিছুর সমাধান হয়ে যায়।

আলেম উলামা পীর মাশায়েকরা রাষ্ট্রের সব স্তরেই দায়িত্ব পালন করবেন। কেউ থাকবেন দাওয়াতে, কেউ থাকবেন জিহাদের ময়দানে। আলেম উলামাদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ,তাকওয়া, নিজ আত্মাশুদ্বি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার উপর ভিত্তি করে সমাজ ও মুসলমানদের মধ্যে শান্তি কায়েমের লক্ষ্যেই দ্বীনি সমাবেশের আয়োজন করার বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেয়া।

দৈনিক সেরাকন্ঠ / আশরাফ/ ২১ অক্টোবর’২৩

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD