যুক্তরাষ্ট্রে গত বছরের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হয় মধ্যবর্তী নির্বাচন। এতে সংসদের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।
এ নির্বাচনের আগে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ন্যান্সি পেলোসি। কিন্তু নির্বাচনে তার দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে এখানেই তার স্পিকার ক্যারিয়ারে সমাপ্তি ঘটে।
সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ায় রিপাবলিকান পার্টির মধ্যে থেকে কেউ প্রতিনিধি পরিষদের নতুন স্পিকার নির্বাচিত হবেন। আর স্পিকার নির্বাচনের জন্য রিপাবলিকান পার্টি দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয় কেভিন ম্যাকার্থিকে। তবে তার স্পিকার নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংসদে হয়েছে নাটকীয়তা।
কারণ রিপাবলিকান পার্টির নিজ দলেরই কেউ কেউ কেভিন ম্যাকার্থির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। প্রতিনিধি পরিষদে নতুন স্পিকার নির্বাচনে তিনবার ভোটাভুটি হয়েছে। কিন্তু তিনবারই ব্যর্থ হয়েছেন ম্যাকার্থি।
তিনবার নির্বাচন আয়োজন করেও নতুন স্পিকার নির্বাচিত না হওয়ায় এরপর তা মুলতবি করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতির ইতিহাসে ১৯২৪ সালের পর এবারই প্রথম এমন ঘটনা ঘটল।
কেন ম্যাকার্থিকে ভোট দিচ্ছেন না তার নিজ দলের সদস্যরা?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন আইনপ্রণেতা জানিয়েছেন, ম্যাকার্থিকে রাজনৈতিক এবং ব্যক্তিগত দুইভাবেই অনেকে অপছন্দ করেন। ফলে তাকে তারা সমর্থন দিতে চাচ্ছেন না।
এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানরা ২২২ আসন পেয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে মাত্র চারটি আসন বেশি পেয়েছে দলটি। ফলে ম্যাকার্থির স্পিকার হতে প্রায় সবার সমর্থন লাগবে। আর এ বিষয়টিরই সুবিধা নিচ্ছেন কিছু কিছু আইনপ্রণেতা। যদি দলটি আরও আসন পেত তাহলে এমনটি হতো না।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত ম্যাকার্থিই স্পিকার হবেন। তবে এর আগে কিছু কিছু আইনপ্রণেতা নিজেদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা চালাবেন।
সূত্র: বিবিসি
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply