মিরু হাসান বাপ্পী বগুড়া জেলা সংবাদদাতা : ঈদুল আজহা উপলক্ষে বগুড়ায় বসেছে কোরবানির মাংসের হাট। শহরের থানা মোড় এলাকা, ১নং ও ২নং রেল ঘুমটি, হাড্ডিপট্টি এবং রেল লাইনের উপর ছোট ছোট হাটে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস।
তবে পেশাদার কোনও মাংস ব্যবসায়ী এ হাট বসাননি। মৌসুমি কসাই, দিনমজুর, দুস্থ্, ভিখারি-গরিব, শিশু যারাই কিছু মাংস জোগাড় করতে পেরেছেন, তা নিয়েই বসে গেছেন বিক্রি করতে। মাংস বিক্রেতা হিসেবে কিছু শিশুকেও দেখা গেছে।
এসব হাটে মাংসের ক্রেতা হিসেবে ছিলেন শহরে বসবাসীকারী নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরা। রিকশাওয়ালা, টং-দোকানি, খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষ ও যারা কম বেতনে শহরে চাকরি-বাকরি করেন তারাই ছিলেন মূল ক্রেতা। এছাড়া খাবার হোটেল ব্যবসায়ীদেরও এই হাট থেকে মাংস কিনতে দেখা গেছে।
মূলত বিকেল তিনটা থেকে এই হাটগুলো জমতে শুরু করে। বেচাকেনা চলে সন্ধ্যা-রাত পর্যন্ত। এই হাটের ক্রেতারা মাংস কিনে কেউ ঠকছেন, কেউ আবার জিতছেন। কোরবানির ঈদে পরিবার-পরিজন নিয়ে মাংস খাবেন, এ ইচ্ছাতেই এসব হাট থেকে মাংস কেনা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ক্রেতা জানান, এ সময়টাতে সস্তায় গোশত কেনা যায়। প্রতি কেজি ৫০০ টাকা বা তার চেয়ে কিছু বেশি দাম পড়ে। তাই গোশত কিনে রাখা হয় ব্যবসার জন্য।
রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি জানান, মানিকচক থেকে তিনি শহরে এসেছেন কোরবানির গোশত নিতে। বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে প্রায় ২০ কেজি গোশত পেয়েছেন। তাই প্রয়োজনের অতিরিক্ত মাংস বিক্রি করে দিচ্ছেন।
বিলকিছ নামে এক নারী এসেছেন মাংস কিনতে। সুবিধা মতো দাম ও মাংস না পাওয়ায় প্রায় ঘণ্টাখানেক ঘুরেছেন মাংসের হাটে। তারপর কসাইয়ের পসরা থেকে দুই ভাগ মাংস কিনেছেন ছয়শ টাকা দিয়ে।
মনির হোসেন নামে এক কসাই বলেন, ‘বাড়ি নিতে গেলে মাংসগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তাই, ভাগ বসিয়ে বিক্রি করে ফেলছি।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply