ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে ভবন নির্মান করছেন ভুমিদস্যুরা। ভোলা সিনিয়র সহকারি জজ আদালতের দেওয়ানী ১৪৪ নং মামলায় কোর্ট বিরোধিয় ভুমিতে কোন প্রকার কাজ না করার নির্দেশ দেয়ার পরেও ইলিশা দতন্ত কেন্দ্রর ২০০ হাতের জংশন বাজারের মধ্যে পাকা ভবন নির্মান করছেন ওই এলাকার জাকির ও আনোয়ারগংরা। ওই বিরোধীয় জমিতে এম এ জাহের বাদী হয়ে এডিএম কোর্টে মামলা করলে এডিএম কোর্ট ১৪৪ /১৪৫ ধারায শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য নির্দেশ প্রধান করা হলেও কাজ বন্ধ করেননি পুলিশ প্রশাসন। এতে দু,পক্ষের মধ্যে যে কোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে ভোলা সদর থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান, আমি আদলতের নির্দেশ হাতে পেয়েই কাজ বন্ধের উদ্দোগ নিয়েছি। তবে ব্যাপারটি সদর সার্কেল এডিশনাল এসপি ফরহাদ স্যার দেখবাল করছেন। এদিকে মামলার বাদী পক্ষ জানান, ভোলার সদর সার্কেল থানায় বসে দু’পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন এবং কাগজ পত্রও দেখেছেন। তিনি এসিল্যান্ড অফিস ও জরিফ অফিসের সার্ভেয়ার দিয়ে দু’পক্ষের জমি আলাদা করে দিবে। আলাদা না হওয়া পর্যন্ত বিরোধিয় জমিতে সকল প্রকার স্থাপনা নির্মান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন সদর সার্কেল এডিশনাল এসপি ফরহাদ হোসেন। ২ দিনের মধ্যে সকল কাজ বন্ধ করবেন বলে আনোয়ার গংরা কথা দিয়ে গেলেও বিরোধিয় জমিতে ভবন নির্মান বন্ধ করেননি তারা। আনোয়ার গংদের দবী তাদের পূর্বচর ইলিশা মৌজার বিএস খতিয়ানের ৫১/৯৮/১১৬/১৬০/১৮৮/১৮৯ ও ১৫১৪ নং দাগ গুলো ৩১৭৬ রেজিষ্ট্রি মূলে খরিদ করে ভোগ দখল করে আসছে।
অনুসন্ধানে দেখাযায় আনোয়ারগংরা পূর্বচর ইলিশা মৌজার ক্রয় করা এই জমি ভিন্ন ভিন্ন ৭টি দাগে ভোগ দখল করে আসছে। এবং ওই দাগের কয়েকটি জমি বিক্রি করে টাও নিয়ে গেছে। সেই একই কাগজ পত্র পুনরায় দেখিয়ে জংশন বাজারের ভিতর কালুপুর মৌজায় আব্দুর রসিদ মাস্টারগং ও এমএ জাহের গংদের জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মানের চেষ্টা করে আসছেন। এব্যাপারে ওই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোস্তফা মেম্বার জানান, আনোয়ারদের জমি পূর্বচর ইলিশা মৌজায় রয়েছে। তারা কালুপুর মৌজায় বিনা কাগজে বসে রয়েছে। ওই ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সভাপতি শাজাহান মেম্বার জানান, আমার বাড়িও কালুপুর মৌজায়। আর আনোয়ারদের দাবী পূর্বচর ইলিশা মৌজায়। কালুপুর মৌজায় পূর্বচর ইলিশার জমি কেমনে আসে? প্রশাসনের দক্ষতার প্রশ্ন তুলেন তিনি। ওই মৌজায় বসবাস করা আওয়ামীলীগ সাধারন সম্পাদক কাঞ্চন ভুলাই ও মন্জু স্যারও একই প্রশ্ন তুলে বলেন দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে কালুপুর মৌজায় সরকারের দেয়া বন্ধবস্তের জমিতে বসবাস করে আসছি। এখন কেউ একজন পূর্বচর ইলিশা বললেইতো হবেনা।জেলা প্রশাসন কেন এটা মেপে ঠিক করে দেয়না এমনটাই বলছেন এলাকাবাসী
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply