শাল্লা(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১’ প্রকল্পে আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে শাল্লা উপজেলায় জনবল নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। টাকার বিনিময়ে কর্মকর্তাদের পছন্দের লোক ও আত্মীয় স্বজনদের নিয়োগ দিয়ে সমালোচনার ঝড় তুলেছে। এমনকি নীতিমালায় উপজেলার স্থানীয় লোক নিয়োগ দেওয়ার উল্লেখ থাকলেও তা মানছেন না শাল্লা উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসের কর্মকর্তারা। উৎকোচের বিনিময়ে অন্য উপজেলার লোক দিয়ে জনশুমারী ও গৃহগণনার কাজ করাচ্ছেন পরিসংখ্যান সহকারী সেবক রঞ্জন তালুকদার। এছাড়াও একই পরিবারে ২/৩ জনকেও নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
পরিসংখ্যান অফিস সুত্রে জানা যায় ২০২০ সালে জনশুমারী ও গৃহগণনার জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। সেই নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়োগ না দিয়ে দিরাই উপজেলা ও নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ী উপজেলার লোক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
খালিয়াজুড়ী উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের হৃদয় দাস বলেন, আমাকে শাল্লা পরিসংখ্যান অফিস থেকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ট্রেনিং করছি কয়েকদিন পর মাঠ পর্যায়ে কাজ করবো।
দিরাই উপজেলার পেরুয়া গ্রামের আবু জাফর বলেন, আমার মামা আবুল বাশার নিয়োগ পেয়েছে। মামার পরিবর্তে আমি কাজ করছি।
পরিসংখ্যান সহকারি সেবক রঞ্জন তালুকদার বলেন, আমার সহযোগীতায় কারো নিয়োগ হয়নি। আমি এই বিষয়ে কিছুই জানি না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে পরিসংখ্যান অফিসের আরেক কর্মকর্তা জানান, সেবকের যোগসাজশে এসব অনিয়ম করা হয়েছে। একাধিকবার সতর্ক করার পরও থামানো যায়নি। উপজেলার বাহিরের লোককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে এটা সত্যি।
শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তালেব জানান, এই বিষয়ে আরো অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply