শওকত হাসান, তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ- তাহিরপুরে দুপক্ষে সংঘর্ষে ফরিদ মিয়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অরুনা খাতুন (৪৫) নামে আরো একজনে মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যু হওয়া অরুনা খাতুন উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের কুমুদ মিয়ার স্ত্রী।
গতকাল সোমবার বিকেল ৪টা উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামে বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে ফরিদ মিয়া (২৫) ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহত ফরিদ মিয়া উপজেলার বড়দল দক্ষিণ ইউনিয়নের রসুুলপুর গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। এ ঘটনায় অপর পক্ষের গুরুতর আহত অরুনা খাতুন (৪৫) কে সিলেট উসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় সিলেট উসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় অরুনা খাতুন।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়, এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে নিহত ফরিদ মিয়ার ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে রসুলপুর গ্রামের ৩৯ জনকে আসামি করে তাহিরপুর থানায় মামলা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সংঘর্ষে জড়িত পাঁচ আসামিকে সোমবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে তাহিরপুর থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারদের সুনামগঞ্জ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, অরুনা খাতুন মারা যাওয়ার খবর এলাকায় পৌঁছলে দুপক্ষের বাড়ি ঘর লুট করা শুরু হয়। এ পর্যন্ত দুপক্ষের অর্ধশতাধিক গৃহস্থালি গরু সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র লুট হয়। বর্তমানে রসুলপুর গ্রামটি নারী পুরুষশূন্য রয়েছে।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল লতিফ তরফদার বলেন, নিহত ফরিদ মিয়ার ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে ৩৯জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, অপর পক্ষের আহত অরুনা খাতুন মারা যাওয়ার খবর শুনেছি কিন্তু এখন ৯টা পর্যন্ত কেউ থানায় মামলা দায়ের করেনি। এখন বর্তমানে রসুলপুর গ্রামে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply