রাহাত মামুন চট্টগ্রাম সংবাদদাতা : বসতবাড়ির সীমানা দ্বন্ধ নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাই জানে আলমকে (৩৮) খুন করে আত্মগোপনে চলে যায় বড় ভাই খোরশেদ আলম (৪৫) ও ভাবী খালেদা বেগম (৪০)। অবশেষে ১৫ দিন আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হলো না তাদের।
রবিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১ টার সময় ফটিকছড়ির ভুজপুর থানার ছোট বেতুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে র্যাব।
এর আগে গত ৯ এপ্রিল বিকেলে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নে নিজ বাড়িতে সীমানা পিলার নিয়ে বিরোধের জেরে ছোট ভাই জানে আলমকে লোহার শাবল দিয়ে আঘাত করে বড় ভাই ও ভাবী। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ১২ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জানে আলম। পরে এ ঘটনায় বাদি হয়ে নিহতের স্ত্রী জোসনা বেগম রাঙ্গুনিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
এদিকে আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বলেন, এ ঘটনায় মামলা হওয়ার পর পুলিশের পাশাপাশি র্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করে। রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ভুজপুর থানাধীন শান্তিরহাটের ছোট বেতুয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে খোরশেদ আলম ও তার স্ত্রী খালেদা বেগমকে আটক করে র্যাব ৭।
র্যাবের ভাষ্যমতে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক খোরশেদ জানান, ছোট ভাই জানে আলম দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকাকালীন কষ্টার্জিত টাকা তার কাছে পাঠাত। পরবর্তীতে জানে আলম দেশে ফিরে আসার পর বড় ভাই খোরশেদ আলমের কাছে বিদেশ থেকে পাঠনো টাকা ফেরত চাইলে তিনি তা দিতে অস্বীকার করেন। পরে জানে আলম আলাদা বাড়ি করে বসবাস শুরু করেন। সেখানে সীমানা জটিলতা নিয়ে বিরোধ ঘটে তাদের মধ্যে।
এদিকে গ্রেফতার খোরশেদ ও তার স্ত্রীকে রাঙ্গুনিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান র্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক নুরুল আবছার।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply