1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন

শাল্লায় কুড়িয়ে পাওয়া গাঁজা নিয়ে ধুম্রজাল সন্দেহের তীর ইউপি মেম্বারের দিকে

Reporter Name
  • মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০২২
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

শাল্লা প্রতিনিধি-সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত এক
মেম্বারের বিরুদ্ধে কুড়িয়ে পাওয়া গাঁজা নিয়ে ধুম্রজাল তৈরী হয়েছে।
সেইসাথে গাঁজার চালান গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় ইউপি মেম্বারের
দিকে।
গত ২৬ মার্চ শনিবার আটগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ
কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। তবে তিনি তা বরাবর অস্বীকার
করছেন। অপরদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে শাল্লা থানা
পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ২৬ মার্চ দুপুর ১২টায় দুজন লোক মোটরসাইকেল
যোগে গাঁজার বস্তা নিয়ে দিরাইয়ের শ্যামারচর থেকে নেত্রকোনার লিপ্সা
বাজারের দিকে যাচ্ছিল। আটগাঁও পূর্বপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের
রাস্তায় মোটর সাইকেল আরোহীর হাত থেকে গাঁজার বস্তাটি রাস্তায় পরে গেলে
স্থানীয় লোকজন চিৎকার করে মোটর সাইকেল চালককে ডাকলেও মোটর সাইকেল চালক ও
গাঁজা পাচারকারী দ্রæত গতিতে মোটর সাইকেল চালিয়ে পালিয়ে যায়। ওইসময় অনেক
লোকজনের সামনেই গাঁজার বস্তাটি কুড়িয়ে নেয় আটগাঁও গ্রামের অটোচালক আমিন
খাঁ। পরে লোকজনের কথামতো অটোচালক আমিন খাঁ গাজার বস্তাটি ইউপি মেম্বার
কামারুজ্জামানের কাছে পৌঁছে দেয়।
কিন্তু মেম্বার প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে এলাকার কোনো মানুষই পুলিশের কাছে
কিছু বলতে রাজি হননি, তবে উপস্থিত লোকজন পুলিশের কাছে আমিন খাঁ’র বিষয়টি
স্বীকার করেছেন। অন্যদিকে পুলিশের উপস্থিতি জানতে পেরে আমিন খাঁ ভয়ে
এলাকা ছেড়েছে বলে জানিয়েছে শাল্লার থানার এস আই আশরাফুল ইসলাম।
সরজমিন গিয়ে জানা যায়, ওই এলাকায় ইউপি মেম্বার কামারুজ্জামান একজন
প্রভাবশালী ব্যক্তি। তাই তার বিরুদ্ধে কেউই মূখ খুলতে চাননি। তবে নাম
প্রকাশ না করার শর্তে একজন বলেন আমিন খাঁ গাঁজার বস্তাটি যখন নিয়ে যায়,
তখন আমি দেখতে চেয়েছিলাম কিন্তু সে বললো তোর দেখা লাগবে না।
তাই আমি পিছনে পিছনে গিয়ে দেখি আমিন খাঁ মেম্বার কামরুজ্জামেনের হাতেই
বস্তাটি দিয়েছে।
অনুস›ন্ধানে একটি অডিও রেকর্ডে শুনা যায় মেম্বার কামরুজ্জামানের নিকট
আত্মীয় বলেন পুলিশ যখন আসছে তখনো মাল(গাঁজা) মেম্বারের ঘরেই ছিল। পুলিশ
ঘরে ডুকে খুঁজলেই পেয়ে যেতো। এখন মালের(গাঁজার) পাইকার আইছে দাম-দর চলছে
বিক্রি হয়ে যাবে।
আরেকটি অডিওতে শুনা যায় আমিন খাঁ বলছে অনেক মানুষে দেখছে, একটা ঘরে আছি,
লজ্জায় বের হচ্ছি না। তখন ওপর প্রান্ত থেকে জনৈক ব্যক্তি বলছেন তুইতো
বিপদে, এখন যদি মেম্বার কামরুজ্জামান অস্বীকার করে। তখন আমিন খাঁ বলছে না
অস্বীকার করবো, আমি তার কাছে দিছি সে অস্বীকার করবে না। করলে আমার কাছেও
কিছু গোপন জিনিস আছে।
তবে আটগাঁও গ্রামের মনি চৌধুরী বলেন, অটোচালক আমিন খাঁ গাজার বস্তাটি
মেম্বার কামরুজ্জামানের কাছেই দিয়েছে।
এবিষয়ে আটগাঁও গ্রামের অটোচালক আমিন খাঁ’র সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি
বলেন, মোটর সাইকেল থেকে গাঁজার বস্তাটি পড়ে গেলে তারা ভয়ে পালিয়ে গেলে
আমি, আওয়াল ও তাজুল গিয়ে দেখি গাঁজা ভর্তি বস্তা। তাই আমরা বস্তাটি
মেম্বার কামরুজ্জামান ও সালেহ্ বরজু’র হাতে দিলে তারা পুলিশের কাছে দেবে
বলে আমাদের জানায়। কিন্তু পুলিশ আসার পর আমাকে একটি ঘরে আবদ্ধ করে রেখে
মেম্বার বলে আমি যেন এখানে বসে থাকি; পুলিশের দিকটি তিনি দেখছেন। পুলিশ
চলে গেলে আমি বের হয়ে শুনি মেম্বার নাকি গাঁজার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
ভাই, এখন আমি ভয়ে আছি, কখন কি হয়। আমি অনুরোধ করবো আপনারা সত্যটা তুলে
ধরেন।
এবিষয়ে কামরুজ্জামান মেম্বারের মুঠোফোন যোগাযোগ করলে তিনি বলেন ভাই আমি
এসব জানিনা, জানতেও চাই না বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD