1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন

শাল্লায় মধ্যরাতে এসআইকে কোপাল যুবলীগ সন্ত্রাসীরা, গ্রেফতার ৩

Reporter Name
  • মঙ্গলবার, ১৩ জুলাই, ২০২১
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

শাল্লা প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা থানার এসআই শাহ আলীকে রাতের আধারে হামলা চালিয়ে হত্যা চেষ্টার খবর পওয়া গেছে। সোমবার ১২ জুলাই দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে শাল্লা থানা সংলগ্ন রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যে জানা যায়, এসআই শাহ আলী থানা থেকে বের হয়ে বাসায় যাবার সময় যুবলীগ নেতা অরিন্দম চৌধূরী অপু ও তার সঙ্গীয় সন্ত্রাসীরা দা, লোহার রড, লোহার পাইপ নিয়া অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীদের কোপ ও এলোপাতাড়ি আঘাতে এসআই শাহ আলী মাটিতে পড়ে চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজনসহ থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা উল্লাস করতে করতে চলে যায়।
ওইসময় পুলিশ সদস্যরা আহত শাহ আলীকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
এ ঘটনার পরেও সন্ত্রাসীরা হাতে অস্ত্রসস্ত্র নিয়া থানা সদরের বিভিন্ন পয়েন্টে মহড়া দেয়।পরে পুলিশ যুবলীগ নেতা উপজেলার নাইন্দা গ্রামের অনিলবরন চৌধুরীর ছেলে অরিন্দম চৌধুরী অপু (৩৮), ঘুঙ্গিয়ারগাও গ্রামের নারুগোপাল রায়ের ছেলে রতন রায় (২৮) ও বাহাড়া গ্রামের মিষ্টলাল দাসের ছেলে সেন্টু দাসকে (২৩) গ্রেফতার করে।

চিকিৎসাধীন এসআই শাহ আলী বলেন, ‘ওইদিন ওসি সাহেব অনুপস্থিত থাকায় আমি সারাদিন অফিসিয়াল কাজ সেরে রাত প্রায় সাড়ে ১২ টায় থানা থেকে বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হই। এসময় রাস্তায় অপুর সন্ত্রাসী বাহিনী দা, লোহার রড, পাইপ ইত্যাদি দিয়া অতর্কিত হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা আমাকে দা দিয়া কোপায় ও লোহার রড, পাইপ দিয়া এলোপাতাড়ি আঘাত করে।’
হামলার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নোয়াগাওকান্ডে অপু তার ফেসবুকে বিতর্কিত ও উস্কানিমূলক একটি স্ট্যাটাস দিলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ফলে অপুর ভাই অমিতাভ চৌধুরী রাহু এলাকার ১২/১৩ জনকে বিবাদী করে শাল্লা থানায় ইতিপূর্বে একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
ডায়েরির পর থেকেই অপু আসামি গ্রেফতার করার জন্য আমাকে চাপ দিয়ে আসছে।কিন্তু বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ না থাকায় আমি আসামি গ্রেফতার করিনি। এ কারণে অপু আমার প্রতি ক্ষিপ্ত ছিল। বিভিন্ন সময়ে অপু আমাকে হুমকি ধামকি করতো এবং আমাকে দেখে নেওয়ারও হুমকি দেয়।’

এ ব্যাপারে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নূর আলমের মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান (পিপিএম) ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ব্যাপারে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সদস্যের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতারে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD