1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০১ অপরাহ্ন

শাল্লায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ৫ লাখ ২৭ হাজার টাকা বকেয়া রাখার অভিযোগ

Reporter Name
  • বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৩৮টি টিউবওয়েল স্থাপনের শ্রমিকদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করা, গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মো. হাফিজুর রহমান নামে এক ব্যক্তি শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রাশিদুল ইসলামের সঙ্গে আলোচনা করে শাল্লা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ৩৮টি টিউবওয়েল স্থাপনের কাজ করেন মো. হাফিজুর রহমান ও তার সহযোগীরা। শাল্লা, বাহাড়া, হবিবপুর ও আটগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম, মসজিদ, মাদ্রাসা ও বাড়িতে এসব টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, প্রতি ফুট ৪৫ টাকা হিসেবে মোট ২২ হাজার ৮০০ ফুট কাজের মজুরি দাঁড়ায় ১০ লাখ ২৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৫০ কিস্তিতে ৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা পরিশোধ করা হলেও বাকি ৫ লাখ ২৭ হাজার টাকা দীর্ঘদিন ধরে পরিশোধ করা হয়নি। পাওনা টাকা চাইলে রাশিদুল ইসলাম গালিগালাজ ও হুমকি দেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে উপজেলার কাশিপুর গ্রামের আবুল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা রাশিদুল ইসলাম তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা নিয়েছেন একটি টিউবওয়েল দেওয়ার কথা বলে। তবে এখন পর্যন্ত তিনি টিউবওয়েল বা টাকা ফেরত পাননি। একই গ্রামের জয়দেব চন্দ্র দাস দাবি করেন, তার কাছ থেকেও ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, রাশিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আরও কয়েকজনের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শাল্লা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কার্যালয়ে গিয়ে রাশিদুল ইসলামকে পাওয়া যায়নি। কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, স্যার প্রায় দুই মাস ধরে অফিসে আসেননি। এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত কিছু বলতে পারব না।

এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শাল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমি তাকে ডেকে এনে টিউবওয়েল শ্রমিকদের টাকা কেন দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব।

অভিযোগকারী মো. হাফিজুর রহমান বিষয়টি তদন্ত করে তার পাওনা টাকা পরিশোধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD