1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

লাখাইয়ে বলদের অভাবে মই টানছে কৃষক মজিবুর

Reporter Name
  • রবিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

কামরুল হাসান সুজন লাখাই প্রতিনিধিঃ লাখাইয়ে জমি চাষাবাদ এর জন্য বলদ না থাকায় নিজেই মই টানছে উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়ন এর মুড়িয়াউক গ্রামের মৌসুমি শাকসবজি চাষী মুজিবুর রহমান।
এককালে লাখাইয়ে গবাদিপশুর আধিক্য ছিল,ছিল বিস্তীর্ণ গোচারণভূমি। তখনকার সময়ে কৃষকেরা গো- মহিষ দিয়ে জমি চাষাবাদ করতো।কালের বিবর্তনে সময়ের ব্যবধানে গবাদিপশুর হালচাষের স্থান দখল করে নিয়েছে কলের লাঙ্গল। কলের লাঙ্গল এর ব্যবহার বৃদ্ধিতে কৃষিতে আসে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। যান্ত্রীক চাষাবাদ এর ফলে হ্রাস পেয়েছে শ্রমিক সংকট।
যান্ত্রিক কৃষিতে গতি আসলেও ছোট ছোট জমিতে চাষাবাদ হয়ে পড়েছে সমস্যাগ্রস্থ।
গবাদিপশু হ্রাস পাওয়ায় গরুমহিষের চাষাবাদ নেই বললেই চলে। তাই কৃষকেরা তাদের বাড়ির আশেপাশের পতিত ও অনাবাদি এবং অল্প পরিমাণ জমি আবাদ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব জমিতে সময়মতো কলের লাঙ্গল পাওয়া যায় না আর পাওয়া গেলেও অল্প পরিমাণ জমি চাষে অনীহা প্রকাশ করে থাকেন সংসলিষ্ট কলের লাঙ্গল এর সত্তাধিকারী।এছাড়া যত্রতত্র অপরিকল্পিত ঘরবাড়ি তৈরির ফলে কৃষকদের তাদের জমিতে কলের লাঙ্গল নিয়ে আবাদ করতে প্রতিবন্ধকতা থাকায় চাষাবাদ বিঘ্নিত হচ্ছে।
এমতাবস্থায় লাখাইর অনেক কৃষক নিজেই কোদাল দিয়ে জমি কর্ষন করে এবং নিজেই মই টেনে মাটি সমান করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে জমিতে মই টেনে মাটি সমান করে শাকসবজি চাষী উপজেলার তেঘরিয়া গ্রামের মুজিবুর রহমান এর সাথে আলাপকালে জানান আমার ২ টি হালের বলদ ছিল। অভাবের তাড়নায় বলদ ২ টি বিক্রি করে দিয়েছি। তাই আমি বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি চাষের জন্য কোদাল দিয়ে জমি চাষাবাদ করে নিজেই মই টানছি।
কলের লাঙ্গলে চাষ করেছেন না কেন তা জানতে চাইলে সে জানান অল্প পরিমাণ জমি আবাদ করতে বেশী অর্থ গুনতে হতো তাই নিজে নিজেই চাষ করছি।
প্রান্তিক কৃষক মুজিবুর রহমান এর নিজের জমিজমা নেই বললেই চলে। সে অন্যের জমি বর্গা ও পত্তন নিয়ে ধনিয়াপাতা, লাউ,লালশাক সহ বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করেন।ফলনও আশানুরূপ হয়েছে। কৃষক মুজিবুর রহমান আলাপকালে জানান সব্জীর চাষের জন্য হস্তচালিত যন্ত্র ব্যবহার করে আবাদ করতে সহজতর হতো।এ ক্ষেত্রে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মাধ্যমে হস্তচালিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র যন্ত্রপাতি বিতরণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে আমাদের জন্য অনেক ভাল হতো।আমরা সহজে চাষাবাদ করতে পারতাম।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাহমুদুল হাসান মিজান বলেন গোমহিষাদি র চাষাবাদ অনেকটা বিলুপ্তির পথে।এ অবস্থায় ছোট গ্রান্ট পাওয়ার টিলার রয়েছে। এগুলোর সাহায্যে যে কোন পরিমাণের জমি চাষাবাদ করা যায়।এ পাওয়ার টিলার সহজে বহনযোগ্য এবং দামেও সস্তা। কৃষক পর্যায়ে এগুলো ব্যবহার করতে পারবেন। যে জমিতে বড় পাওয়ার টিলার সহজে আনানেওয়া করা যায় না সে জমিতে এ ছোট্ট পাওয়ার টিলার সহজে আনানেওয়া করা সম্ভব। এছাড়া এ ছোট পাওয়ার টিলার সরকারিভারে ভর্তুকী মূল্যে বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ থাকলে তা দেওয়ার চেষ্টা করব।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD