নিজস্ব সংবাদদাতা : ভোলার দৌলতখান উপজেলার পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে কর্মরত মনির আহমেদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন খবর প্রচারে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। একটি আঞ্চলিক পত্রিকায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ পঃ পঃ পরিদর্শক মনির আহাম্মেদকে নিয়ে সম্পূর্ণ ভূল তথ্য দিয়ে একটি অসত্য সংবাদ প্রচার করা হয়। মনির আহমেদ তার বিভাগীয় দায়িত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। মাঠ পর্যায়ে কর্মরত সকল দায়িত্ব পালনের ব্যাপক তথ্য প্রমান সোশ্যাল মিডিয়া রয়েছে। পরিবার পরিকল্পনা সেবায় ব্যাপক অবদান রাখায় উপজেলা পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রাপ্ত হন মনির আহমেদ।
বিষয়টি নিয়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের কর্মকর্তার মোঃ জামাল উদ্দিনের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, মনির আহমেদ আমার স্টাফ,বিভাগীয় দায়িত্বে আমি তাকে আমার পাশে পাই।
স্থানীয় চেয়ারম্যান জাকারিয়া সাহেবের নিকট মনির আহাম্মেদের কর্ম দক্ষতার বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি জানান মনির আহমেদ একজন দক্ষ ও পরিশ্রমি তদারককারী প্রদানকারী। তিনি প্রতি মাসেই ১ থেকে ২ বার ইউনিয়ন পরিষদে আসেন, ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা সেবায় তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।
বিভাগীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মনির আহমেদ অবসর সময়ে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড সময় দিয়ে থাকেন।
অন্যদিকে মনির আহমেদ সরকারি চাকরিতে যোগদানের পূর্বে ২০১৩ সাল থেকে প্রায় ২০১৯ সাল পর্যন্ত ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের খন্ডকালীন শিক্ষক পদে কর্মরত ছিলেন, শিক্ষকতার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছড়া গান, আবৃতি, সংগীত আসর বিতর্ক প্রতিযোগিতা সহ নানা ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত ছিলেন। শিক্ষকতার মহান দায়িত্ব কে কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছে একজন দক্ষ ও পরিচিত শিক্ষক ছিলেন। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি পত্র-পত্রিকা ও লেখালেখি করেছিলেন মনির আহমেদ।
পঃপঃ পরিদর্শক মনির আহমেদের পিতা মাষ্টার বশির আহাম্মেদ জানান,পারিবারিক বিরোধের জের ধরে প্রতিবেদককে ভুল বুঝিয়ে সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণীত হয়ে, একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অগ্রহণযোগ্য সংবাদ প্রচার হয়, ওই আঞ্চলিক দৈনিক ভোলার বানী নামক পত্রিকাটি আমার বড় ছেলে মনির আহমেদ ও আমার পরিবারকে খাটো করা হয় সম্পূর্ণ অসত্য তথ্য প্রদান করা হয় , আমি এই ভিত্তিহীন সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাই,ভিত্তিহীন এই নিউজটির বিরুদ্ধে আইনগত সকল ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বিষয়টি নিয়ে পঃ পঃ পরিদর্শক মনির আহাম্মেদ মুঠো ফোনে জানান, সম্পূর্ণ অসত্য উদ্দেশ্যপ্রণীত তথ্য প্রচার করা হয়েছে, একটি কুচক্রী মহল আমার পিছনে লেগেছে, আমি এর বিরুদ্ধে নিন্দা জানাই। এছাড়া কিছুদিন পূর্বে আমার ছবি ব্যবহার করে whatsapp দিয়ে আমার আমার কাছে মানুষ জাবেদ মাহামুদ ফিরোজের কাছ থেকে নগদ প্রতারক টাকা হাতিয়ে নেয়, পরবর্তীতে থানায় ডায়েরীর ভিত্তিতে প্রশাসন তা বের করে, দুই সপ্তাহ আগে আমার ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক ফেক অ্যাকাউন্ট খুলে এবং মানুষের সাথে অসদাচরণ করে, পরবর্তীতে সাইবার পুলিশ শনাক্ত করে এবং এভাবে একের পর এক সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রণীতভাবে আমাকে সামাজিকভাবে খাটো করার জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply