1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

কদর রয়েছে কালামানিক ডনের মোরেলগঞ্জে প্রস্তুত ১৩ হাজার গবাদি পশু

Reporter Name
  • শনিবার, ২৪ জুন, ২০২৩
  • ৭৫ বার পড়া হয়েছে

শেফালী আক্তার রাখি,বিশেষ প্রতিনিধি ঃ পবিত্র ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ১৩ হাজার গবাদি পশু প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বাজারে বেশ চাহিদা রয়েছে কালামানিক ও ডনের। দাম হাকাচ্ছেন ৩ লাখ টাকা।
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নসহ পৌরসভায় এবারে ৭টি পশুরহাটের খামারি ও বেপারীদের গবাদি পশু ক্রয়-বিক্রয়ে সকল প্রকার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন উপজেলা প্রশাসন। সরকারিভাবে এ উপজেলায় দৈবজ্ঞহাটী, কালিকাবাড়ি, সন্ন্যাসী বাজার পোলেরহাট ৪টি স্থায়ী পশুরহাট রয়েছে।

এছাড়াও অস্থায়ীভাবে ছোলমবাড়িয়া বালুরমাঠ, হাসেম আলী খার হাট, বানিয়াখালী হাট বসেছে। শুক্রবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, পৌর শহরে বালুরমাঠে বিভিন্ন গ্রাম থেকে দেশী গরু আসতে শুরু করেছে। কম বেশী বেপারীরা ক্রয় বিক্রয় করছেন। ঈদের আগেরদিন পর্যন্ত চলবে হাটে গরু,ছাগলের বেচা বিক্রি।

এদিকে দেশী গরুর খামারিদের বাড়িতে ছুটছেন ক্রেতারা। অধিক চাহিদার কারনে দাম হাকাচ্ছেন খামারিরা। কালামানিক ও ডনের দাম উঠেছে ২ লাখ থেকে আড়াই লাখ টাকা।
বলইবুনিয়া ইউনিয়নের দোনা গ্রামের গরুর খামারি আব্দুল হাই শিকদার, দেশীয় জাতের গরু আড়াই
বছর ধরে লালন পালন করেছেন নাম দিয়েছেন ‘মোরেলগঞ্জের ডন’ প্রতিদিন অনেকেই দেখতে আসছে তার
বাড়িতে। দাম তুলছেন আড়াই লাখ টাকা। ক্রেতারা বলেছেন ১ লাখ ৭০ হাজার। অপেক্ষায় রয়েছে সোমবারে
বালুরমাঠে হাটে নেওয়ার।
একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, গত ৭ বছর পূর্বে ২৭ হাজার টাকায় একটি গরু কিনে সে
গরু থেকে ১১টি বাচ্চা লালন পালন করে ১১ লাখ টাকা বিক্রি করেছি। এ খামার থেকে সংসারের চাকা
ঘুরিয়েছি। দেড় বিঘা জমিও কিনেছি। সর্বশেষ পাকিস্তানি সাই-ওয়াল দেশীয় জাতের এ ষাড়ের দাম
উঠেছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। চেয়েছি ২ লাখ। অপেক্ষায় রয়েছি পুরোদমের বাজারে।
দৈবজ্ঞহাটী থেকে বালুরহাটে গরু নিয়ে আসা বেপারী আলম খান বলেন, প্রতিবছরের ন্যায় এবারেও এ
পশুরহাটে এসেছি ৭টি গরু নিয়ে। কালামানিককে বিক্রি করেছি ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকায়। বাজারে
খাজনা রয়েছে স্বাভাবিক। গত বছরের চেয়ে এবারে প্রতিটি গরুতে দাম ১৫-২০ হাজার বেশী। ক্রেতারা
ঝুকছেন দেশী গরুর প্রতি।
উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. ইউনুছ আলী বলেন, এবারে উপজেলায়
পশুরহাটগুতে ক্রয় বিক্রয় সুবিধার্থে প্রতিটি হাটে একটি করে ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম
সার্বক্ষনিক থাকছেন। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা পরিবেশ বজায় রেখে পশু জবাই করতে হবে। পশু জবাইয়ের পরে
তার বর্জ্য ৩ ফুট মাটির নিচে গর্ত খুড়ে রাখতে হবে। জবাইকৃত পশুর চামড়া কোন প্রকারে নষ্ট করা
যাবে না সকলের জন্য এ নির্দেশনা রয়েছে।
এ সর্ম্পকে উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা এসএম তারেক সুলতান বলেন, পবিত্র ঈদ-উল আজহা উপলক্ষে ৫টি
পশুর হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২টি অস্থায়ী। ক্রেতাদের সুবিধার্থে সার্বক্ষনিক মাঠে
রাখা হয়েছে পুলিশের টিম, গ্রামপুলিশ, বাজার কমিটির নিয়ন্ত্রনাধীন স্বেচ্ছাসেবক দল।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD