হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় জলসুখা ইউনিয়নে আজ ২৩শে জানুয়ারি রোজ সোমবার শিশু বাচ্ছাদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে ২ঘন্টা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। সরজমিন গিয়ে দেখা যায় জলসুখা ইউনিয়নের মাধবপাশা গ্রামে শুনো মিয়ার দল ও কটকা মিয়ার দলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে । এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গত ৩ দিন আগে শাহানাজ মিয়ার ছেলে ও রমজান মিয়ার ছেলের মধ্যে কেরাম বোর্ড খেলা নিয়ে ঝগড়া হয়। তারপর থেকেই ঐ এলাকায় থমথমে বিরাজ করে। এই অবস্থায় জলসুখা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমেদ খেলু ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা শালিশ করে আসে। কিন্তু উভয় পক্ষই শালিশ না মেনে আজ রোজ সোমবার সকাল প্রায় ৭ঘটিকার সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ লিপ্ত হন। প্রায় ২ঘন্টা এই সংঘর্ষ হয়। আজমিরীগঞ্জ থানা খবর পেয়ে একদল পুলিশ এসে ১৩ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে ৮জন পুলিশ সদস্য আহত হন। চেয়ারম্যান ফয়েজ আহমেদ খেলু মিয়া জানান এদের মধ্যে আগে ঝগড়া হয়েছিল আমিও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা মিলে শালিশ করি। আমি সিলেট থেকে আসার পর গ্রাম্য বিচারে শেষ করব। এই সংঘর্ষে আহতরা হল সিরাজুল( ৪০) জাফর আলী (৩৮) শান্ত (২৫) ফারুক (৩০) রুমন(২৭) মুবাশ্বির (২৮) জুয়েল (৩৪) সাইফুল (৩৯) সজল(৩০) সোহাগ(২৩) মাসুক(৩৭) উজ্জ্বল( ২৩) সমির আলী (৪৩) আন্জুর(৩৭) লিটন(২৪) সুজন( ৪৫) আলাউদ্দিন (৬০) সুরমা বেগম(৩০) মনু বিবি (৩৫) আরও অনেকেই আহতরা আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বানিয়াচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং গুরুতর আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরন করেন।
আজমিরীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাসুক আলী সঙ্গ আলোচনা করলে তিনি জানান উক্ত ঘটনায় ৮ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। কয়েকজনকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং কয়েকজনকে ঢিল মারা হয়েছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ১৩ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়,
ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করে আজমিরীগঞ্জ থানা পুলিশ। উক্ত ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply