1. kholilurrahman136@gmail.com : sm razu : sm razu
  2. dailyserabarta@gmail.com : editor :
  3. admin@wordpress.com : root :
শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন

আজমিরীগঞ্জে রাস্তা পুনর্নির্মাণ না করে, বাঁশের সাঁকো তৈরি করে অবৈধভাবে টাকা উত্তোলন।

মোঃ আশিকুর রহমান বিশেষ প্রতিনিধি
  • শনিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২৩
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ২নং বদলপুর ইউনিয়নে বিগত বন্যায় আজমিরীগঞ্জ থেকে পাহাড়পুর যাওয়ার রাস্তা অনেক জায়গায় ভাঙ্গন দেখা দেয় । যার ফলে জন সাধারণের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে। ঐ ইউনিয়নের জন পতিনিধিরা রাস্তা মেরামত না করে। অন্যান্য ব্যাক্তিদের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো তৈরি করে। এই সাকো দিয়ে চলাচল করছে মোটরসাইকেল ও মানুষ। এতে চলাচলকারীদের নিকট থেকে তুলা হচ্ছে টাকা।

সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার পাহাড়পুর যাওয়ার পথে উদয়পুরে এই ঝুকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন এলাকাবাসী।

টাকা উত্তোলনকারী ব্যক্তির মহাদেব দাসের ছেলে জয়দেব দাসের সঙ্গে আলোচনা করলে তিনি জানান , তাকে টাকা উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও সদস্যরা।

পথযাত্রী ও স্থানীয়রা জানান, গেল বন্যায় পাহাড়পুর সড়কের বিভিন্ন অংশ ভেঙ্গে যায়। মাটিয়াখাড়া ও উদয়পুরের মাঝের স্থানটি বেশি ভেঙ্গে যায়। যার ফলে এই ব্যাবস্তা স্থানীয় মহাদেব দাস সহ কয়েকজন বাঁশের সাঁকো তৈরি করেছেন। এতে যাতায়তকারী মানুষের নিকট থেকে জনপ্রতি ৫ টাকা করে নিচ্ছেন তারা। ২০ টাকা করে নেয়া হচ্ছে মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য । সরকারি রাস্তায় পারাপার হতে রশিদ ছাড়াই টাকা দিতে হচ্ছে জনগণের।
নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি জরাজীর্ণ দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে লোকজন চলাচল করছেন। অনেক কষ্ট করে পার করতে হচ্ছে মোটরসাইকেলগুলোকে ভোক্ত ভোগি এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি সড়কে মানুষের নিকট থেকে প্রকাশ্যে অবৈধ ভাবে টাকা নিচ্ছেন মহাদেবসহ আরো কয়েকজন। টাকা উত্তোলনের জন্য তারা কোন সরকারি দপ্তরের অনুমতিও পাননি। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় টাকা উত্তোলন করছে তারা।

এ বিষয়ে টাকা উত্তোলনকারী জয়দেব দাস বলেন, বদলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শুশেনজিৎ চৌধুরী অরুন কুমার তালুকদার এলাকার মুরব্বিরা আমাকে বাঁশের সাঁকো তৈরির অনুমতি দিয়েছেন।
স্থানীয় কিছু লোক জানান, প্রায় ২০/৩০ হাজার টাকা দিয়ে বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রতিদিন ৫ থেকে থেকে ৭ হাজার টাকা তোলা হচ্ছে। অথচ জনপ্রতিনিধিরা যদি সরকারি অর্থে সেখানে একটি সাঁকো নির্মাণ করে দিতেন তাহলে মানুষদের এভাবে টাকা দিতে হতো না।

সামাজিক মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো খবর
সেরাবার্তা © ২০২০, সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত।
Developer By Zorex Zira

Designed by: Sylhet Host BD