শাল্লায় যত্রতত্র মিলছে মাদক। ফলে উঠতি বয়সের যুবকরা যাচ্ছে ধ্বংসের পথে। উপজেলার কয়েকটি মাদকস্পট এখন ভয়ংকর রুপ ধারণ করেছে। সব বয়সের লোকেরা মাদকের সম্পৃক্ততায় জড়িত হচ্ছে। মাদকের এমন ভয়াবহতা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ প্রশাসনের কোনো কার্যকরী ভূমিকা চোখে পড়েনি। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মাদকের কেনাবেচা চলে উপজেলার কয়েকটি স্পটে। আর এর প্রতিবাদ করতে গেলে মামলা হামলার শিকার হতে হয় স্থানীয়দের। তবে ভয়াবহ এই মাদকের হাত থেকে বাঁচতে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপের সহায়তা চেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
জানা যায়, শাল্লা থানা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে খোলামেলা পরিবেশে দীর্ঘদিন যাবত মাদকের (মদের) ব্যবসা করে আসছেন নারকিলা গ্রামের পশ্চিম পাড়ার অন্তত ২৫ টি পরিবার। তবে তাদের বক্তব্য আর্থসামাজিক ও আয়-মূলক কোন কাজ না থাকায় দীর্ঘদিন যাবত এই অবৈধ পেশাটি করে আসছেন তারা।সরেজমিনে নারকিলা গ্রামে গিয়ে দেখা যায় বিষাক্ত যুক্ত এলকোহল মদ তৈরি করে শাসখাই বাজার,আনন্দপুর বাজার,পাহাড়পুর বাজার,প্রতাপপুর বাজার সহ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় সাপ্লাই করে থাকেন। তবে দুঃখের বিষয় নারকিলা গ্রামের মাদক দূরীকরণে জোড়ালো ভাবে কোন অভিযান বা ভাল কোন ভূমিকা নিতে দেখা যায়নি শাল্লা থানা প্রশাসনকে। সচেতন মহল পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলছেন মাদকের বিরুদ্ধে শাল্লা থানা পুলিশ ইদানীং নীরবতা পালন করছে।
শুধু নারকিলা গ্রামই নয় উপজেলার চিকাডুকি সহ বিভিন্ন জায়গায় আনাচকানাচে মদের সম্রাজ্য দেখতে পাওয়া যায়। দীর্ঘদিন ধরে নারকিলা গ্রামে মদের কর্মকাণ্ড চলমান থাকায় গ্রামটিতে মারামারি,হানাহানি সঙ্ঘাত খুন খারাপি লেগেই থাকছে। সল্প মূল্যে মদ আরোহন করতে পারায় গ্রামের অধিকাংশ যুবকেরা নেশাগ্রস্ত হয়ে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ছে। মদ সংগ্রহ সহজলভ্য হওয়ায় এলাকায় মাদকাসক্ততার হার দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে প্রশ্ন রয়েছে শাল্লা থানা পুলিশের বিরুদ্ধে এই ডিজিটাল যুগেও পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে কিভাবে তারা দীর্ঘদিন ধরে মদের ব্যবসা করে আসছে। সন্ধ্যা হলেই মোটরসাইকেলের আনাগোনা জমে নারকিলা গ্রামে মদ সাপ্লাইয়ের একমাত্র বাহন মোটরসাইকেল। মদ খেয়ে মাতাল হয়ে মোটরসাইকেলের একাধিক চালক সহ রাস্তাঘাটে মাতলামি করতে দেখা যায় মাদক কারবারীদেরকে। নারকিলা গ্রামে মদের অঙ্গরাজ্য হওয়ায় ওই এলাকায় প্রতিদিনই ঘটতে দেখা যাচ্ছে কোন না কোন অপ্রীতিকর ঘটনা। এলাকার লোকজন জানিয়েছেন অবৈধ এসব মদের ব্যাপারে কঠোর কোন অভিযান নিতে দেখেননি শাল্লা থানা পুলিশকে।
এ বিষয়ে শাল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ আমিনুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন মদ আমাদের এখানে জিরো টলারেন্সে আছে অভিযান অব্যাহত আছে চলবে।
সহকারী পুলিশ সুপার এএসপি (দিরাই সার্কেল) মোঃ আবু সুফিয়ান এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন
বিষয়টি খবর নিয়ে দেখছি এমন হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply