বিশেষ প্রতিনিধি
আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় লোডশেডিং এর কারণে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিদ্যুৎ অফিস থেকে যে লোডশেডিং শিডিউল দেওয়া হয়েছে সে অনুযায়ী মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। এক ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলে চার ঘন্টা থাকে না।
শিডিউলে দেখা যায়, উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের সময় ভাগ করা আছে কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না। বিদ্যুৎ চলে গেলে সারা উপজেলা অন্ধকার হয়ে পড়ে। ফেইসবুকসহ বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে লেখা ও সমালোচনার ঝড় বইছে। বিশেষ করে রাতে বেশি লোডশেডিং হচ্ছে। গরমে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না। বিশেষ করে বেশি ক্ষতি হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। রাতে পড়ালেখা করতে পারছেনা। যদিও চার্জার লাইট দিয়ে কিছু সময় পড়তে বসে। পাশাপাশি দূর্ভোগে আছে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স-এর রোগীরা। হাসপাতাল ঘুওে দেখা যায় ভর্তি হওয়া রোগীদেও কষ্টের শেষ নেই । অন্ধকারের মধ্য থাকতে হয় তাদের যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু ব্যাকাপ লাইট ওয়ার্ড গুলোতে দিয়ে রাখে। তাছাড়া প্রচন্ড গরমে রোগীরা সুস্থ্য হওয়ার পরিবর্তে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে।
আজমিরীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সাবস্টেশনের এ.জি.এম এ.কে.এম মাহমুদুল হাসান-এর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করলে তিনি জানান যে, সিডিউল দেওয়া হয়েছিল সেটর কার্যকারীতা বাতিল হয়ে গেছে। দিনে ৩ মেগাওয়াট প্রয়োজন, পাওয়া যায় মাত্র ১ মেগাওয়াট। রাতে প্রয়োজন ৫ মেগাওয়াট, পাওয়া যায় মাত্র ২ মেগাওয়াট। যে সময় সব পাওয়া যায় সব কিছু চালু করে দেই। তাই লোডশেডিং করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply