শ্যামনগর প্রতিনিধি।।
সাতক্ষীরা জেলার সর্ব দক্ষিণে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শ্যামনগর উপজেলা ৮ নম্বর ঈশ্বরিপুর ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মৎস্যঘের মালিক । তিনি দীর্ঘদিন যাবত নিজস্ব অর্থায়নে স্থানীয় ঈশ্বরীপুর মৌজায় ১৫ একর জমিতে বাগদা চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদন করে আসিতেছে। উক্ত চিংড়ি মৎস্য ঘেরের মুজিব শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে সরকারি গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ পাইবার জন্য বিগত 28/ 3/ 2020 তারিখ ডিমান নোটিশদের বিপরীতে জামানতের টাকা জমা করিয়া শ্যামনগর জোনাল অফিসের এজিএম বরাবর দরখাস্ত শ্যাঃনং২৯২ নাম্বার একটি লিখিত অনলাইন আবেদন পত্র দাখিল করে যার লড নাম্বার ১৩৩৪। এছাড়া স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার মহোদয়ের নিকট থেকে ডিও লেটার যার স্মারক নাম্বার ২১ /৪৯৩ প্রদান করে কিন্তু অদ্যবধি মালিকাধীন চিংড়ি মৎস্য ঘড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে গেলে টাকা দিতে হবে বলে শ্যামনগর জোনাল অফিস জানিয়ে দেয়। ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকার করলে ভুক্তভোগী কে ২০২০ সাল থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয় নাই। শ্যামনগর উপজেলার সবচাইতে হয়রানি দুর্নীতি হচ্ছে শ্যামনগর বিদ্যুৎ সমিতির জোনাল অফিস এখানে টাকা দিন বিদ্যুৎ স্ংযোগ নিন এই ফমুলায় চলে।
উল্লেখ থাকে যে ভুক্তভোগীর আবেদনের এক বছর পর অন্যরা আবেদন করিয়া টাকা দিয়া দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহণ করিয়াছে যেমন মোঃ আব্দুর রহিম- গোবিন্দপুর সুকুমার গাইন- চাঁদখালী আইয়ুব আলী- ইসমাইলপুর জগদীশচন্দ্র মন্ডল- দাঁতনেখালি রিয়াজউদ্দিন- আবার চন্ডিপুর আব্দুল হামিদ মোজাফফর গাজী শফিউল আলম- খাগড়াঘাট সবার বাড়ির শ্যামনগর উপজেলা জেলাঃ সাতক্ষীরা আরো অনেকেই উৎকোচ বা অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে শ্যামনগর জোনাল অফিস কর্মরত এজিএম সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার ও দালালদের যোগসাজশে সীমিত সময়ের মধ্যে সংযোগ গ্রহণ করিয়াছে।
শ্যামনগর জোনাল অফিসে টাকা ছাড়া একটি ফাইল ও নড়েনা টাকা দিলেই বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়া যায় বলে অনেক ভুক্তভোগীরা অভিযোগ তুলেছে। তাছাড়া এখানে একটি দালাল চক্র কাজ করে তারাই এই অফিসের সবকিছু।
ভুক্তভোগী ও সাধারণ গ্ৰহকগণ বিদ্যুৎ সংযোগ উৎকোচ ছাড়া সহজে পাইতে পারে তার বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণে মাননীয় সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দারের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
Designed by: Sylhet Host BD
Leave a Reply